আহলে বাইত বার্তা সংস্থা (আবনা) : দীর্ঘ ২৬ দিন ইয়েমেনের অসহায় জনগণের উপর বিমান হামলা ও হত্যাকাণ্ড চালানোর পর বিমান হামলা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব। গতরাতে সৌদি সরকারি চ্যানেল থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোটের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে : বিমান হামলা বন্ধ করা হয়েছে এবং ইয়েমেনিদের মন থেকে হতাশা দূর করতে (!!!) নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে রাজনৈতিক সমাধানের কাজ শুরু হয়েছে।
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের কমান্ডার ‘আহমাদ বিন হাসান উসাইরি’ মাঝরাতে (বাংলাদেশ সময় ১২:৪৫) এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন : সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলীয় সীমান্তগুলোর নিরাপত্তা জোরদারের কাজে অংশগ্রহণ করবে ন্যাশনাল গার্ড বাহিনী।
রিয়াদ বিমান ঘাঁটিতে অনুষ্ঠিত এ সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন : ভবিষ্যতে ইয়েমেনের বিষয়ে আমাদের স্ট্রাটেজি হবে ‘কূটনৈতিক তত্পরতা’ এবং ‘সামরিক পদক্ষেপ’-এর মিশ্রনে।
ইয়েমেনে হামলা ছিল সৌদি আরবের জন্য কলঙ্ক : রোইভারান
হামলা বন্ধের ঘোষণার পর আরব এক বিশ্লেষক এ পদক্ষেপকে আলে সৌদের পরাজয় আখ্যায়িত করে বলেছেন : এ আগ্রাসন ছিল সৌদি আরবের জন্য কলঙ্ক স্বরূপ।
‘নানান উদ্দেশ্য নিয়ে বিমান হামলা চালানো হয়’ –এ কথা উল্লেখ করে হুসাইন রোইভারান বলেন : ইয়েমেনের মত দরিদ্র একটি দেশে খুব বেশী লক্ষ্য পূরণ করা সম্ভব নয়। আর এ কারণেই সৌদি সৈন্যদের মাঝে হতবিহ্বলতার স্পষ্ট ছাপ ছিল।
সৌদি নিউজ চ্যানেলের এক অনুষ্ঠানে, সৌদি আগ্রাসনের বিপরীতে ইয়েমেনের গোত্রগুলোর প্রতিক্রিয়ার বিষয়ে তিনি বলেন : ইয়েমেনের এক গোত্রের যোদ্ধারা একটি সৌদি সেনা ঘাঁটির সৈন্যদেরকে নিরস্ত্র করতে সক্ষম হয়েছে। যদি ইয়েমেনের সকল জনগণের অংশগ্রহণে যুদ্ধ শুরু হয় তবে কি ঘটতে পারে তা ভাববার বিষয়।#